সম্প্রতি ১৮তম NTRCA ভাইভা পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় কিছু প্রার্থীর অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতে শুরু করেছে। বিশেষ করে কয়েকজন প্রার্থী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করছে, যা শুধু দুঃখজনকই নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক ভয়ানক বার্তা বহন করে। ❌ শিক্ষকতার জন্য অযোগ্য আচরণ যে ব্যক্তি নিজেই শৃঙ্খলা ও ভদ্রতার চর্চা করতে পারেন না, তার পক্ষে অন্যকে শিখানো সম্ভব কি? যারা ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি, তাদের হতাশা বুঝা যায়। কিন্তু এই হতাশা প্রকাশের মাধ্যম যদি হয় গালি, হুমকি আর বিদ্বেষ, তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায় — আপনি কি সত্যিই শিক্ষক হওয়ার যোগ্য? 📱 সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাষার ব্যবহার একজন প্রার্থী ভিডিও বার্তায় বলেন, এই ধরণের বক্তব্য কোনো শিক্ষকের মুখে মানায় না। বরং এটি আমাদের গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাকে হেয় করে তোলে। শিক্ষক মানেই একজন আদর্শ, যার কাজ শুধু পড়ানো নয়, আদর্শ ও মূল্যবোধ গড়ে তোলা। 📚 শিক্ষকতা একটি পবিত্র দায়িত্ব শিক্ষকতা একটি পেশা নয়, এটি একটি ব্রত। এখানে সম্মান, সহনশীলতা, দায়িত্ববোধ এবং মানবিকতা থ...
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। মোট ৮৪ হাজার প্রার্থী ভাইভায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেলেও, প্রায় ২৫০০ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এর মধ্য থেকে প্রায় ৬০ হাজার প্রার্থী চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন, যা নিঃসন্দেহে একটি বড় অর্জন। তবে দুঃখজনকভাবে ফল প্রকাশের পর থেকে শুরু হয়েছে বিভ্রান্তিকর এবং অযৌক্তিক এক আন্দোলন। কিছু ফেল করা প্রার্থী এখন দাবি করছেন যে—তাদের অটোপাশ দিতে হবে! 🎯 বাস্তবতা কী বলে? ✅ NTRCA একটি যোগ্যতা ভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। ✅ লিখিত ও ভাইভা—উভয় ধাপে মূল্যায়ন করে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করা হয়। ✅ যারা ভাইভায় অনুপস্থিত ছিলেন, তারা স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচনের বাইরে। ✅ অনেকেই ভাইভায় সন্তোষজনক পারফরম্যান্স করতে পারেননি, ফলে বাদ পড়েছেন। ⚠️ অটোপাশের দাবি কি যৌক্তিক? না। অটোপাশ মানেই হবে—যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীদের প্রতি অন্যায়। যারা কঠোর পরিশ্রম ও প্রস্তুতির মাধ্যমে উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের প্রাপ্য সম্মান কেড়ে নেওয়া হবে। অটোপাশের দাবি মানা মানে হবে— 📌 প্রতিযোগিতার মৃত্যু 📌 দুর্নীতিকে উৎসাহ দেওয়া 📌 মেধাবীদের হতাশ করা --- 😡 আন্দোলনের নামে হুমকি-ধমকি? কিছু প্রা...
✴️প্রতিষ্ঠানের অবস্থা, কর্মপরিবেশ, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, আর্থিক সচ্ছলতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, প্রতিষ্ঠান প্রধানের আন্তরিকতা ও স্বচ্ছতা, নিয়োগ প্রাপ্ত বিষয়ের শূন্য পদ, শিক্ষকদের সংখ্যা ও শিক্ষক-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিতে পারলে প্রার্থীর জন্য ভালো। বিশেষ করে শিক্ষার্থী সংখ্যার বিষয়ে খোঁজ নিতে হবে। ✴️প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর সংখ্যা যেভাবে দেখবেন- ✅বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গঠিত এবং পরিচালিত কেন্দ্রীয় দপ্তর যা দেশের সকল পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট তথ্য সংরক্ষণ করে। প্রথমে www.banbeis.gov.bd ওয়েবসাইটে ইনস্টিটিউট সার্চ অপশনে গিয়ে Division, District, Upazilla, Institute Type, Management Type ও EIIN Number দিয়ে Find Institute অপশনে সার্চ করে view তে ক্লিক করলে প্রতিষ্ঠানের মৌলিক তথ্য, ঠিকানা, যোগাযোগের নম্বর ও শিক্ষার্থীদের সংখ্যাসহ সকল সাধারণ তথ্য পাওয়া যাবে। ✅প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য পেতে www.emis.gov.bd ওয়েবসাইটের Portal অপশনে গিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা অঞ্চল, জেলা, উপজেলা, প্রতিষ...
Comments
Post a Comment